গোলহীন প্রথমার্ধে শুধু উত্তেজনাই ছড়াল
গ লহ ন প রথম র ধ – ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছে। দুই দলের মধ্যে লড়াই শুরু হয়েছিল মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে, যেখানে প্রথমার্ধে দেখা গেছে বেশি ফাউল। আর্জেন্টিনার স্বাধীনতার যুদ্ধের অনুপ্রেরণা ছিল সেমিফাইনালের লড়াইয়ে।
প্রথম অর্ধেকে মাঠে গোল হয়নি। তবে ফাউলের ছড়াছড়ি হয়েছে বেশি। আর্জেন্টিনা প্রায় ৫৫ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণ করেছে। ইংল্যান্ডের পক্ষে গোলের সুযোগ তৈরি হয়নি। প্রথমার্ধে দুই দল মোট ১৯টি ফাউল করেছে।
খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে লড়াই
৩৫ মিনিটে ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিকে তীব্র চ্যালেঞ্জ করেন। এটি ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ডের কারণ হয়। পরবর্তী কয়েক মিনিটে এনজো ফের্নান্দেজ ফ্রি কিক থেকে শট নেন, কিন্তু অল্পের জন্য গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।
৩৯ মিনিটে মরগান রজার্সকে পেছন থেকে টেনে ধরে লিসান্দো মার্টিনেজ হলুদ কার্ড পেন। মাঠে প্রতিযোগিতা ছিল প্রায় সমতুল্য। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিকে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগে তিন চারজন খেলোয়াড়ের বাধার মুখে পড়ে মেসিকে সমস্যার মুখে দেখায়।
প্রথমার্ধে কোনো দল গোল করতে পারেনি। সেমিফাইনাল শুরুতে দুই দল গোলহীন সমতায় বিরতিতে গেছে। মাঠে খেলোয়াড়দের কঠিন অবস্থা ছিল তবে গোল হয়নি।
ম্যাচের প্রথম অর্ধেকে কোনো কিছু প্রতিযোগিতা হয়নি। বেশির ভাগ সময় ফাউলের সমাধান হয়েছে। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছে যেখানে কোনো গোল হয়নি। প্রথমার্ধে পাঁচটি মুখোমুখি ঘটনা ঘটেছে।
ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছে। মাঠে দেখা গেছে ফাউলের ভিত্তিতে লড়াই চলছে। প্রথমার্ধে দুই দল মোট ১৯টি ফাউল করেছে। আর্জেন্টিনা করেছে ১২টি, ইংল্যান্ড করেছে ৭টি।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছে। লিওনেল মেসিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন চারজন খেলোয়াড়ের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার বল নিয়ন্ত্রণের শতাংশ ৫৫ ছিল। ইংল্যান্ডের পক্ষে গোলের সুযোগ হয�
