জনগণের প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বান
জনগণক দ ওয় প রত শ র – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে এমন জাহাজ নিশ্চিত করেছেন যাতে দেশের ২০ কোটি মানুষের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সহ সব ধরনের সুবিধা প্রতিদিন বাড়ছে। শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশাল জেলার কানহর এলাকায় গৃহ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি বিশ্বাস জানান যে সরকার জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য এগিয়ে যাচ্ছে এবং সব কাজ সময়মত করা হবে।
জনগণের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সুবিধা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ
প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে জনগণের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সুবিধার জন্য বিশাল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে দেশের সব মানুষকে সুযোগ দেওয়া হবে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে প্রকৃত ফলপ্রসূতি অর্জন করা হবে। বর্তমানে সরকার জনগণের স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি করছে, যা ভবিষ্যে মানুষের জীবন সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী জনগণের আগ্রহ ও অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিশ্রুতি পূরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জানান, জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির উপর ভিত্তি করে সরকার আগামী মাসে নতুন কিছু প্রকল্প আরও চালু করবে। আরও বলেন, জনগণের মাঝে প্রতিশ্রুতির স্বাক্ষর পাওয়া পরিবেশ পরিবর্তনের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
অপরাধ দমনে সরকারের কঠোর অবস্থান
সরকার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের পাশাপাশি অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। কিছু মানুষ রাস্তা অবরোধ করে জনগণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করছে, কিন্তু এ সম্পর্কে সরকার বিশ্বাস জনাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে দেশের অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে জনগণের জীবন সুবিধার প্রতি ক্ষতি হতে পারে। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি কার্যকর করার জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে জনগণের সহযোগিতা ও সমর্থন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে সম্পাদন করছি, যাতে সব মানুষের জীবন সুখী ও সুস্থ হয়। যদি অরাজকতা দুর্ঘটনা ঘটে তবে সেটি জনগণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বাধা হতে পারে।”
জনগণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সময় প্রয়োজন হতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জনগণের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সুবিধা গ্রহণের জন্য আইনগত প্রক্রিয়া কমপক্ষে দুই বছর সময় নেয়। আরও বলেন, সরকার নির্বাচনে জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য কোনও ত্রুটি ছাড়া কাজ করছে।
তিনি জানান যে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির জন্য আইনগত প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। স্বৈরাচার পতনের পর দেশের মানুষ রাষ্ট্র গঠনের আশা করছে, কিন্তু তাদের আবেদন পূরণ করতে সরকার জোর দিচ্ছে। আগামী নির্বাচনে সরকার আরও বেশি সাহায্য করবে
