দিনাজপুরে এবার লিচুর ফলনে চরম বিপর্যয়
দ ন জপ র এব র ল – দিনাজপুর জেলায় স্থানীয় লিচু উৎপাদন এবার হারাল চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এ বছর বাগানে গাছে লিচু ফলন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কম হতে পারে। এমনকি যে ফল গাছে আছে, পরিপক্ক হওয়ার আগেই কিছু কিছু গাছ থেকে ঝরে পড়ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাগানের মুকুল ও গুটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এ বছর ফলনে আস্তে আস্তে কমতে থাকছে।
লিচু বাগান মালিকদের মুখে সমস্যার কথা
অনেক চাষি ও ব্যবসায়ী মুখে মুখে বলছেন, বাগানে লিচুর ফলনে বিপর্যয় ঘটছে। ছোট-বড় মিশে গাছের সংখ্যা প্রায় ৭ লাখ ২১ হাজারের বেশি। জেলায় লিচুর উৎপাদনে এখন স্বাদহীন ও অপরিপক্ব ফলে বিপর্যয় ঘটছে। এতে চাষিরা চরম লোকসানে পড়েছেন।
“যেটুকু লিচু আছে, পরিপক্ক হওয়ার আগেই গাছেই ফেটে যাচ্ছে।” – দিনাজপুর জেলার মাসিমপুর এলাকার লিচু বাগান মালিক মিনারুল ইসলাম
বাগানে বিপর্যয় ঘটছে যার কারণে চাষিরা মুকুল রাখতে পারছেন না। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে অসময়ে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে ফুল থেকে ফলে পরিণত হতে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কৃষিবিদ আশা করছেন, এবার চাষিরা ভালো দাম পেতে পারেন। তাঁদের মতে প্রায় হাজার কোটি টাকার লিচু বাজারে উঠবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত।
অপরিপক্ক লিচুতে বাজার সয়লাব
অনেক ব্যবসায়ী এবার মৌসুমের শুরুতেই অপরিপক্ক ও স্বাদহীন ফলে বিক্রি করছেন। দিনাজপুরের রসালো লিচুর দেশজুড়ে সুখ্যাতি থাকায় এটা করছেন তারা কম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশায়। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে লিচুর মূল বেচাকেনা ঈদের পর হবে।
“তার বাগানের অধিকাংশ লিচু পচে ঝরে পড়ছে।” – বিরল উপজেলার লিচু চাষি সুবল রায়
লিচু বাগানের অধিকাংশ ফল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রায় সব মিলিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ, নাটোর, বরিশাল ও নওগাঁ থেকে অনেক ব্যবসায়ী আগাম কিনেছেন ফল। কিন্তু শিলাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে তারা মুখে মুখে কম লাভ করছেন।
এ বছর বাগানে অসময়ে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে ফলনে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেদানা লিচু তার স্বাদ ও গন্ধ অতুলনীয়। কিন্তু এ মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে লিচুর উৎপাদনে �
