Uncategorized

মিরকাদিমের ধবল গরু

মিরকাদিমের ধবল গরু ম রক দ ম র ধবল গর - মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম এলাকায় কোরবানির ঈদকে ধবল রংয়ের গরু আকর্ষণ তৈরি করে আসছে। এই ঐতিহ্য প্রায় ২শ বছরের মাথায়

Desk Uncategorized
Published May 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মিরকাদিমের ধবল গরু

ম রক দ ম র ধবল গর – মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম এলাকায় কোরবানির ঈদকে ধবল রংয়ের গরু আকর্ষণ তৈরি করে আসছে। এই ঐতিহ্য প্রায় ২শ বছরের মাথায় পৌঁছেছে। এখন পুরন ঢাকার বহু ব্যবসায়ী বিশেষভাবে এই গরুগুলো খুঁজে খুঁজে ক্রয় করেন। কোরবানির ঈদে রহমতগঞ্জের হাটে ধবল গরু প্রায় সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

খামারীদের গোয়াল ঘরে পুরান ঢাকা থেকে এগুলো এগিয়ে ক্রয় করে নিয়ে আসা হয়। যার ফলে ঈদের দু তিন দিন আগে গরুগুলো ক্রেতার বাড়িতে পৌঁছে যায়। সাধারণ সাদা গরু থেকে এগুলো আলাদা। চোয়াল বাদামী রংয়ের, ধবধবে সাদা পোশাক পরে গোলাপি আভা মিশে আছে। চোখের পাপড়ি, নাকের সামনের অংশ এবং পায়ের খুরা সব সাদা। শান্ত স্বভাবের জন্য এই উন্নত জাতের গবাদি পশু দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে।

গরুগুলো বিশেষ উপযুক্ত হয়ে উঠেছে। তাদের রূপ আকর্ষণীয়, মাংসের স্বাদও খুব উন্নত। একটি ধবল গরু প্রায় ২ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। কিছু ক্রেতারা তাদের পছন্দ করে যাচ্ছেন। কিন্তু এখন খাদ্য দাম বৃদ্ধি হওয়ায় আর লাভ কমে গেলে এই গরু পালনে সম্পূর্ণ রূপে সমস্যা হয়েছে। আর প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো বা গোখাদ্য প্রদানের জন্য খামারীরা বিশেষ জাতের গরু বাছাই করে আনেন।

শ্রমিক শফিক বলেন, আমরা নিজ সন্তানের মতো পরম যত্নে এখানে গরু লালন পালন করি। পুরো দিন ওদের সেবা করি। প্রতিদিন ২বার গোসল করাই এবং এগুলোর শরীর মুছে দেই। তিনবেলা খাবার দেই। রাতে যেন মশা, মাছি বা অন্য কোন পোকা মাকর আসতে না পারে সে জন্য ধুঁয়া বা মসারিসহ ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।

খামারে নিজেদের চাষ করা ঘাস খাওয়ানো হয়। যেমন খৈল, ভূসি, কুড়া ও খুদের আড়ৎ রয়েছে। বিশেষ জাতের গরুগুলো একটি খামারে যেমন বাছাই করে খাওয়াই অন্যটিতে কাঁচা ঘাস ও ভূট্টার সেরেলাক খাওয়াই। মিরকাদিমের ঐতিহ্যবাহী ধবল গরু মুন্সিগঞ্জের স্থানীয় হাটে বিক্রি হয় না। সব সময় রহমতগঞ্জ হাটে বিক্রি করা হয়।

পুরান ঢাকায় এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু আজকাল চট্রগ্রামসহ সারা দেশজুড়ে এ গরু বেশি চাওয়া হচ্ছে। যার কারণে অনেকেই এগুলো ক্রয় করে খামারে এসে নিয়ে যাচ্ছেন। যেসব খামারে সব চাল, কুড়া, ভূসি ও খৈলের আড়ৎ রয়েছে সে স্থানে বিশেষ গরু হারিয়ে যাচ্ছে।

আর সাদা ষাঁড় ও গাভীর বাচ্চা থেকে এগুলো তৈরি করেন কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী সহ বিভিন্ন জেলার হাট থেকে। খামার ভেতরের পরিবেশ সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়। বাইরের কাউকে খামারে ঢুকতে দেওয়া হয় না। এই ঐতিহ্যবাহী গরু পালন এখন কমে গেলেও এটি মুন্সিগ

Leave a Comment