আর কানাডা বৃদ্ধ ধরে মৃত্যুর ঘটনা পুনরুদ্ধার হয়েছে
আর ক ব দ ধ র গল – ঢাকার পল্লবীতে স্থানীয় একটি বাসা থেকে আরেক বৃদ্ধার গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আনুমানিক ৫৫ বছর বয়সি নারীটি সেলিনা আফরোজ নামে পরিচিত। তার স্বামী মমিনুল হক ও তিনটি সন্তান কানাডা প্রবাসী হিসেবে বাসা বাস করছিল। গত বছর আট-দশেক আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং পল্লবীতে বাবার বাসার ফ্ল্যাটে একাই বসবাস করতেন। লাশটি অপরিচিত শব হিসেবে পরিচিত হয়েছিল, কিন্তু নিজের পরিবারের সহযোগিতার কারণে আবিষ্কৃত হয়েছিল তার সত্যিকার পরিচয়।
আর কানাডা বৃদ্ধ ধরে বাসা থেকে মৃত্যুর পরিস্থিতি
পল্লবী থানার পরিদর্শক এমদাদ বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তার স্বামী ও সন্তানদের সংযোগ না হওয়ায় লাশটি উদ্ধার করেন। লাশ দেখে মনে হয়েছে তিনি বেশ কয়েকদিন আগে মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আর কানাডা বৃদ্ধ ধরে পরিবারের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে সেলিনা আফরোজের ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। যারা কানাডা প্রবাসী হিসেবে এখন বাসা বাস করছে।
আর কানাডা বৃদ্ধ ধরে বাসা থেকে উদ্ধার করা লাশটি পরীক্ষা করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তার নিঃসঙ্গ জীবনের কারণ খুঁজছে। সেলিনা আফরোজ গত ২৬ মে রাতে বাথরুমে পানির টেপ ছাড়া ছিলেন। এরপর তিনি আর কানাডা বৃদ্ধ ধরে সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন নি। তার ভাতিজার সর্বশেষ কথা হয়েছিল বাথরুমে স্থানান্তরিত হওয়ার পর।
আর কানাডা বৃদ্ধ ধরে মৃত নারীটির ডাইনিং রুমে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। মুখে রক্ত ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ আশংকা করছেন তিনি গোসল করছিলেন কিন্তু কোনো কারণে বাথরুম থেকে বের হয়ে পড়ে গেছেন। নিঃসঙ্গ জীবন ও বিপর্যয়ের কারণে এ ঘটনা বিশেষ আকর্ষণ তুলে ধরেছে।
আর কানাডা বৃদ্ধ ধরে বাসা থেকে বৃদ্ধা মৃত্যু ঘটনা সংক্রান্ত আরও তথ্য
পল্লবী থানার এসআই মোবারক আলী বলেন, সেলিনা আফরোজ বাসা থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছিলেন না। বাজার সদাই ও রান্না নিজে করতেন। নিঃসঙ্গ জীবন ও কানাডা প্রবাসী পরিবারের ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আবিষ্কৃত হয়েছে। তিনি কানাডা প্রবাসী পরিবারের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা কামনা করতেন বলে মনে হয়।
আর কানাডা বৃদ্ধ ধরে মৃত্য
