গ জ দখল ন ত স
গ জ দখল ন ত স মর – ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু জানান যে দেশের সামরিক বাহিনীকে গাজা উপত্যকার সাতাশ শতাংশ এলাকা দখল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণা তিনি বৃহস্পতিবার ২৮ মে করেন। বিষয়টি সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান একটি প্রতিবেদনে বিস্তারিত করেছে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির ওপর চাপ
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি, যা আগে ছিল ৫০ শতাংশ। এখন ধাপে ধাপে বিস্তারের জন্য আমার নির্দেশ হলো—প্রথম ধাপে গাজার সাতাশ শতাংশ এলাকা দখল করা। এটি করে আমরা শুরু করতে চাই।’ এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়া হিসাবে হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সীমারেখা পরিবর্তনের অভিযোগ দাবি করে।
গাজা দখল নিতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হামাসের সংঘর্ষের সম্পূর্ণ আবহাওয়া গুরুতর করে তুলতে। বর্তমানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী গাজার প্রায় ৬৪ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি আগে সাতাশ শতাংশের চেয়ে বেশি। গাজা দখল নিতে ইসরায়েল আগে থেকেই সংঘর্ষে নিয়ন্ত্রণ প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিধ্বস্ত অঞ্চলে সংকট বৃদ্ধি
গাজা দখল নিতে এই প্রচেষ্টার ফলে বিধ্বস্ত অঞ্চলের সংকট আরও গুরুতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষত গাজার সম্পূর্ণ প্রান্তে ইসরায়েলি বাহিনী বিস্তার করতে চাইছে। প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিক সেখানে বাস করে। তাদের আশ্রয় নিতে বাধ্য করা হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুসারে ইসরায়েলি বাহিনীকে ‘ইয়েলো লাইন’ বা হলুদ রেখা পর্যন্ত পিছু হটার কথা ছিল। যার মাধ্যমে গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু গাজা দখল নিতে এই পরিবর্তন চুক্তির মূল লক্ষ্য বৃদ্ধি করে তুলছে।
গাজা দখল নিতে ইসরায়েলের পরিকল্পনা হামাসের প্রতি আঘাত কমানোর প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমানে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজার ক্ষেত্রে আক্রমণের সময় সামগ্রিক সম্পূর্ণতা নিশ্চিত করতে চাইছে। সামরিক বাহিনী তাদের অভিযান চালিয়ে গাজার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা করে নিতে পারবে। এটি সামরিক ক্ষমতা প্রসারিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।
হামাস কর্তৃক জারি করা বিবৃতিতে এই অভিযান যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি স্পষ্ট ও চলমান লঙ্ঘন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। গাজা দখল নিতে প্রচেষ্টা করা হচ্ছে তাদের প্রতি স্থায়�
