ট্রাম্পের গ্রিন কার্ড নীতি বিদেশি প্রবাসীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে
চ কর পর ব র সব হ – চাকরি-পরিবার সব হারানোর শঙ্কা নিয়ে ট্রাম্পের নতুন গ্রিন কার্ড নীতি উৎকণ্ঠার ছায়াতে প্রবাসীদের মন ভারী করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন হাজার হাজার প্রবাসী চাকরি ও ব্যবসায়ের মাধ্যমে নিজেদের স্থায়ী জীবন গড়েছেন, কিন্তু এই নীতি বিধানের কারণে তাদের এই স্বপ্নের প্রতি অনিশ্চয়তার ছায়া ছড়ার আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। সংস্থাগুলি এখন প্রবাসীদের অবস্থানের সময়সূচী ও প্রাধান্য ক্ষেত্রে নতুন মাপকাট আনলে তাদের বাড়ি বিক্রি করতে বা চাকরি হারাতে হতে পারে। এই পরিবর্তন নিয়ে প্রবাসীদের মনে জাতীয় স্বার্থ ও ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রাধান্য ঘটানোর আশা রয়েছে।
গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ার পরিবর্তন: বিস্তারিত বিশ্লেষণ
বর্তমানে গ্রিন কার্ড পেতে আবেদনকারীদের দুটি পথ বিবেচনায় রয়েছে। প্রথমে তারা নিজ দেশ থেকে মার্কিন কনস্যুলেটে আবেদন করতে পারে অথবা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেই আবেদন করতে পারেন। নতুন নীতি অনুযায়ী আবেদনকারীদের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে এমন সময় যখন তারা নিজ দেশে ফিরে যাবেন। এই পরিবর্তনের ফলে প্রবাসীদের ব্যবসায়িক ও পারিবারিক স্থায়িত্ব নিয়ে আরও বেশি চিন্তা জাগাচ্ছে কারণ প্রাপ্ত কর্মসূচি কেটে দেওয়া হয়েছে।
প্রবাসীদের বাড়ি বিক্রি করার ঝুঁকি: সত্যিকারের পরিস্থিতি
তারা নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হলে চাকরি হারানো ও পরিবারের আবেদন করার সাথে সাথে বাড়ি বিক্রি করার ঝুঁকি পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আসা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে অবস্থানের প্রাধান্য স্থাপন করে এই নীতি। অনেক প্রবাসী মনে করছেন যে তাদের বর্তমান স্থান থেকে বেরিয়ে আবেদন করার প্রাধান্য ঘটানো হচ্ছে কারণ গ্রিন কার্ড পেতে তাদের বেশি সময় লাগছে।
ওয়াশিংটনে বসবাসরত এক ভারতীয় সফটওয়্যার প্রকৌশলী বলেন, “আমি চাকরি ও পরিবার গড়েছি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু নতুন গ্রিন কার্ড নীতির কারণে আমাকে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে এবং চাকরি হারানো, বাড়ি বিক্রি করার ঝুঁকি আছে। পরিবারের জীবনযাত্রা নতুন করে শুরু করতে হবে, কিন্তু আমি এখন ত
