জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাজ কী?
জ ত স ঘ স ধ রণ – বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন সাধারণ পরিষদের সদস্যদের গোপন ভোটে কৌশলী পদক্ষেপের মাধ্যমে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে হারিয়ে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। এ পদের প্রতিযোগিতায় খলিলুর রহমানের বিজয়ে আট ভোট পড়েছিল।
পূর্বের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যতের দায়িত্ব
বাংলাদেশের প্রতিনিধি পরে সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন যে কারণে সেই অধিবেশনটি সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের মধ্যে অবস্থিত। মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি নির্বাচন এই সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি যে সময়ে নির্বাচিত হবেন তখন সেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের প্রতি খুব গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তার ভূমিকা সুনির্দিষ্ট এবং অপরিহার্য। সভাপতি বিশেষ ভাবে বৈশ্বিক বিতর্কগুলোকে কিছু পথে নিয়ে যেতে পারেন। সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে অপার্থিক ও নির্মোহ ভাবে সমন্বয় করেন এবং সেক্রেটারি-জেনারেলের উত্তরসূরি নির্বাচনে সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত প্রভাব ফেলবে।
৪০ বছর পর বাংলাদেশের প্রতিনিধি আবার সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে স্থান পেয়েছেন। এই দায়িত্বটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাধারণ পরিষদে মোট প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সভাপতির কাজটি সম্পন্ন হয়। অধিবেশনে প্রায় ১৬৫টি আলোচনার সূচী রয়েছে বলে জানান বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিক এম হুমায়ুন কবির।
সাধারণ পরিষদের ভূমিকা ও ক্ষমতা
সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কারণে সেই সংস্থার বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া বা পরিচালনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাধারণ পরিষদের কার্যপ্রণালী গ্রহণ করতে বাধ্য হন এবং সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এ পদের কাজে বিশেষ ভাবে প্রতিযোগিতার মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পড়ে। সভাপতি একটি ক্ষমতার দ্বারা দুই গুরুত্বপূর্ণ কাজের ওপর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করেন। বাজেট ও পিস কিপিং দুইটি সিদ্ধান্ত এখানে নেওয়া হয়।
আগামী আটই সেপ্টেম্বর থেকে তিনি অধিবেশন পরিচালনা করবেন। এটি সাধারণ পরিষদের প্রধান কাজ
