নোয়াখালীর দুই ব্যক্তির মৃত্যু দুই আলাদা ঘটনার ফলে
জ য় র আসর বস ন ন – শনিবার (৩০ মে) রাতে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ ও সদর উপজেলায় দুই আলাদা ঘটনার মাধ্যমে জুবায়ের হোসেন রাকিব ও কামাল উদ্দিন দুই ব্যক্তি প্রাণ হারান। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী দুই ঘটনায় ঝগড়া থামানোর চেষ্টায় নিহত হন দুই ব্যক্তি।
প্রথম ঘটনা: ঝগড়া থামানোর সময় হামলা
সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের লচি সর্দার বাড়ির সোলেমানের ছেলে কামাল উদ্দিনের মৃত্যু ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি এবং তার ভাতিজা ফরহাদ পাশের মিনু আলী হাজী বাড়ির রনি ও শামুর সঙ্গে চলাফেরা করতেন। ঈদুল আজহার ছুঁটিতে তারা লচি সর্দার বাড়িতে জুয়া খেলা শুরু করে। আসর বসানো নিয়ে উঠে পড়ে তার সঙ্গে ঝগড়া হয়।
নিহতের ভাই ও আগের ইউপি সদস্য মো. তোফায়েল বলেন, হামলার সময় আমার ভাই কামাল তাদের বাধা দিতে গেলে তার ওপর হামলা করা হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী কামালের পরিবার বলেন, ঝগড়া থামাতে গেলে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মিনু আলী হাজী বাড়ির ইমাম উদ্দিন। নিহতের শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
দ্বিতীয় ঘটনা: পথে আঘাতে মৃত্যু
বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামে জুবায়ের হোসেন রাকিবের মৃত্যু ঘটে। তার চাচাতো ভাইয়ের সাথে এক দোকানদারের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন পাকমুন্সিরহাট বাজারে জড়ো হয়।
শ্রী রাম চন্দ্র ভট্রাচার্য বলেন, জুয়া খেলার কারণে নিহতের ভাতিজা ফরহাদকে মারধর করা হয়। তার ঝগড়া থামাতে গেলে তিনি বেহুশ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
এ সময় রাকিবকে বাড়ি ফিরে যেতে বলা হয়। পরে তিনি ছোট ভাই রিমনকে সাথে নিয়ে পথে রওনা হন। অন্ধকার স্থানে তার পথরোধ করে হামলা চালায়। হামলাকারীরা লোহার রড দিয়ে তার মাথা ও শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার প্রতিবেদন প্রসঙ্গে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামসুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন এবং হামলাকারীদের শনাক্তের জন্য মামলা দায়ের করা হবে।
