ইসরায়েল ও লেবানন নতুন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা
নত ন শর ত নত ন য – মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘর্ষে নতুন একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে কার্যকর হওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করা প্রয়োজন। ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ শক্তিকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে।
বিবিসি পরিচালিত ঘোষণা
বিবিসি জানায়, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্থানীয় সময় বুধবার (৩ জুন) এক বিবৃতিতে নতুন এই সমঝোতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
“ইসরায়েল ও লেবাননের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র দুই দেশের সার্বভৌম সরকারের রয়েছে। কোনো রাষ্ট্র বা অ-রাষ্ট্রীয় শক্তি দ্বারা লেবাননের ভবিষ্যৎ প্রভাবিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।”
নতুন চুক্তির অন্য শর্ত অনুযায়ী দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদী থেকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় হিজবুল্লাহর সব সদস্য এবং অপারেটিভকে সরিয়ে নিতে হবে। এই অঞ্চলে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী এলএএফ এর হাতে থাকবে।
নতুন যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা
এই ঘোষণা আসে এক সময়ে যখন সাম্প্রতিক সংঘর্ষে আগের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা ছিল। বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হওয়ার পর হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায়।
এতে এপ্রিল মাসে হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি আরও চাপে পড়ে। সে অনুযায়ী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা বন্ধ রাখবে, বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় হামলা চালাবে না। কিন্তু এই সমঝোতার আগে থেকেই অসন্তোষের চিহ্ন ছিল।
“কোনো আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি হয়নি; বরং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় দাহিয়েহ এলাকাকে লক্ষ্য না করার জন্য একটি সীমিত সমঝোতা হয়েছিল।”
হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মাহমুদ কামাতি আরও বলেন, ওয়াশিংটনে আলোচনায় নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত মানতে হিজবুল্লাহ বাধ্য নয়।
আগের সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দক্ষিণ লেবাননের চেহুর এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুই চিকিৎসাকর্মী নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ঘোষণা করেন, সীমান্ত অতিক্রম করে আসা একটি ড্রোন ও দুটি রকেট তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে।
আগামী ২২ জুন দুই দেশের আবারও আলোচনা হবে নতুন যুদ্ধবিরতির স্থায়ী রূপ দিতে। তবে এ বিষয়ে হিজবুল্লাহ আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন বা আপত্তি জানায়নি।
আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, “এই প্রক্রিয
