বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
নিহতদের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিনদের ভাবনা
বরগ ন য় স পট ক ট – বরগুনার আমতলী উপজেলায় সেপটিক ট্যাঙ্কে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে দুই শ্রমিক মৃত্যুবরণ করেছেন। বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার ঘটনার পর স্থানীয় বাসিনদের ভাবনা অনেকটা গভীর। বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার ফলে সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার সংবাদ শুনে মানুষ জানতে চাইছেন বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর সত্যতা এবং দুর্ঘটনার কারণ কি ছিল।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং প্রক্রিয়া
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, বুধবার সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার একটি নির্মাণাধীন ভবনে সেপটিক ট্যাঙ্কে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে দুই শ্রমিক মৃত্যুবরণ করেছেন। বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার সময় ঘটনাটি ঘটেছিল সাড়ে ৮টার দিকে। সেখানে জাহিদুল হাওলাদার ট্যাঙ্কের ভেতরে নামেন এবং কিছুক্ষণ পর তিনি চিৎকার করতে শুরু করেন। তার উদ্ধারে জাফর হাওলাদার সাহায্য করেন কিন্তু তিনিও গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিনদের ভাবনা প্রায় একই ছিল – বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার কারণ অনেকটা স্থানীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব।
বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার ঘটনার পর আমতলী ফায়ার সার্ভিস প্রতিক্রিয়া দেয়। তারা বিষাক্ত গ্যাস নিষ্ক্রিয় করতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন। পরে শ্রমিকদ্বয়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার পর চিকিৎসকদের মৃত ঘোষণা করা হয়। এটি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি বিষয়ে বিতর্ক জাগায়।
নিহতদের স্বজনরা বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় ভবন মালিককে অবহেলার জন্য দায়ী করেছেন। তাদের অভিযোগ বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার সময় যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে এ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল।
পুলিশ জানিয়েছেন যে বরগুনায় সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার ঘটনার ফলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের
