লিবিয়া থেকে ফিরেছে আরও ১৭৪ বাংলাদেশি প্রত্যাবাসিত
ল ব য় থ ক ফ র – লিবিয়া থেকে ফিরেছে আরও ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক, যারা মানবপাচার চক্রের সহায়তায় সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার আশায় সেখানে অবস্থিত ছিলেন। সোমবার (১ জুন) ভোরে তাদের বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে, যেখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বুরাক এয়ারের ইউজেড-০২২২ ফ্লাইটে তারা দেশে আসা হয়, যেখানে স্বাগত জানানো হয়েছে। এই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে অনেকে পুনর্গৃহীত হয়েছেন যারা লিবিয়ায় স্থায়ী ভাবে অবস্থান করেছিলেন কিংবা সেখানে নিরাপত্তির জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রবেশ করেছিলেন।
প্রত্যাবাসন কার্যক্রম কীভাবে চালু হয়েছে
লিবিয়া থেকে ফিরেছে আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি প্রত্যাবাসিত ব্যবস্থার অংশ হিসাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের সংযুক্ত প্রচেষ্টা অবলম্বন করেছেন সরকারের কর্মকর্তারা। সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সমন্বয়ে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে, যেটি সাধারণত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। লিবিয়া থেকে ফিরেছে আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি প্রত্যাবাসিত ব্যবস্থা হারিয়েছে দুর্ভোগের সময় তাদের সুরক্ষা এবং পরিচয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ সরকার একটি নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে আইওএম প্রত্যাবাসিতদের প্রয়োজনীয় সেবার ব্যবস্থা করেছে যেমন পথখরচ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সহ নানান প্রয়োজনীয় সুবিধা।
লিবিয়া থেকে ফিরেছে আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি প্রত্যাবাসিত ব্যবস্থার প্রধান স্বাক্ষরে দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে প্রত্যাবাসিতদের অনেকে মানবপাচার চক্রে যুক্ত ছিলেন, যারা লিবিয়ায় প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেছিলেন। আইওএম এর সহযোগে তাদের সংগ্রহ করে পৌঁছেছেন বাংলাদেশে। প্রত্যাবাসিতদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী তাদের মধ্যে কিছু প্রাণ হারানো ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরে স্বাগতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লিবিয়ায় বাস করা বাংলাদেশির অভিজ্ঞতা
লিবিয়া থেকে ফিরেছে আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি প্রত্যাবাসিত হয়েছেন, যারা বিভিন্ন কারণে সেখানে থাকতেন। তাদের অনেকেই সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার প্রলোভন ও আশা প্রাণী চক্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যার ফলে তারা বাংলাদেশে ফিরতে চাইছেন। এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম হারিয়েছে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও বেশি সুরক্ষা দিতে এবং লিবিয়া থেকে ফিরেছে আরও ১৭৪ জন বাংল
