নদী-হাওর রক্ষার জন্য সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ কায়াকিং শুরু হয়েছে
নদ হ ওর রক ষ য় সচ – গত ৩১ মে থেকে কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা পর্যন্ত বাংলাদেশ ও চীনের যুবকদের একটি সামাজিক উদ্যোগ পরিচালনা করা হয়েছে। নদী ও হাওরের রক্ষা প্রচার করতে খালিয়াজুড়ি হাওরের আন্ধাইর গুচ্ছগ্রাম থেকে শুরু হওয়া এই কায়াকিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি অনন্য অনুষ্ঠান। কার্যক্রমটি ইউরোপের ককেশাস পর্বতমালা ও এশিয়ার হিমালয় অঞ্চলের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী পর্বতারোহী ও অভিযাত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি অলাভজনক সংগঠনের প্রারম্ভ।
উদ্বোধনী কায়াকিং কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইতিহাস ও এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগ ও কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জুনায়েদ সরকার ও মাহজাবিন আহমেদ সহ চীনা শিক্ষার্থী লিনজিং লিউ ও তামিং ওয়াং। অংশগ্রহণকারীদের মতে, নদী ও হাওর রক্ষা মানে শুধু জলাভূমি বা ভূপ্রকৃতি সংরক্ষণ নয়। বরং এটি মানুষের জীবন, জীবিকা, কৃষি এবং সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ।
নদী ও হাওর রক্ষা এখন শুধু পরিবেশগত ক্ষতি প্রতি সচেতনতা তৈরি করতে সীমাহীন নয়; বরং জীবন ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিরাপত্তি সম্পর্কে বিষয়টি উপস্থাপন করছে। বাংলাদেশের হাওর অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত হয়ে আসছে। গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক এলাকা হিসেবে নদী এখানে কেবল পানির প্রবাহ নয়; বরং জীবনের সম্পূর্ণ কাঠামো গড়ে উঠেছে।
আগাম বন্যা কৃষকদের ফসল ক্ষতি করে দেয়। প্রতিবছর নদীভাঙনে অসংখ্য গ্রাম, বসতভিটা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই জনপদগুলো এখন মানবিক ও অর্থনৈতিক প্রয়োজনীয়তার কারণে প্রতিদিন পরিবর্তনের মুখোমুখি হচ্ছে।
এই প্রচার কার্যক্রম কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা পর্যন্ত বিস্তার করবে। সামাজিক চিত্র সামনে আ
