আছিয়া থেকে রামিসা, বিচারের মিছিল থামে না
শিশু রামিসার মৃত্যু বিচার ব্যবস্থার অসামান্য ক্ষমতা প্রশ্নে উত্থানের কারণ
আছ য় থ ক র ম স – মিরপুরের পল্লবীতে একটি অপরিসীম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার পর। পাশের ফ্ল্যাটের বাসায় অবস্থিত সোহেল রানার হাতে শিশু রামিসা মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও বিতাড়িত মতামত বিস্তার লাভ করছে। বিশেষ করে #JusticeForRamisa হ্যাশট্যাগ প্রায় সব প্রতিবেশী সামাজিক মাধ্যমে তীব্র ব্যবহার করা হচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এ ঘটনার সঙ্গে মাগুরার আছিয়া ঘটনার তুলনা। আছিয়া নামের ৮ বছরের শিশু মার্চে ধর্ষণের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিল, যার পর রাষ্ট্রীয় অতিথি রায়ে আছিয়া ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সেই রায় এখনও কার্যকর হয়নি। তার পরিপ্রেক্ষিতে শিশু রামিসার হত্যার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জোর পেয়েছে।
“আছিয়া থেকে রামিসা, মৃত্যুর মিছিল থামে না। বিচার হয় না বলেই এমন ঘটনা বারবার ঘটছে,” লেখেন একজন সামাজিক মাধ্যমে।
অন্য প্রতিবেশী বলেন, “আছিয়ার ফাঁসির রায় এক বছরেও কার্যকর হয়নি, এখন রামিসা। রাষ্ট্র কী করছে?” এ বিষয়ে আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “#JusticeForRamisa #JusticeForAasiya শিশুরা নিজের বাসায়ও নিরাপদ নয়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই,” এ ধরনের প্রতিক্রিয়া সামাজিক মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
“রামিসার খুনি রাষ্ট্রীয় অতিথি এখন। জেলে থাকবে, তার হয়ত ২-৩ বছর পর ফাসির রায় হবে, সেটা যাবে হাইকোর্ট, তারপর সুপ্রিম কোর্টে,” বলেন আরিফুল ইসলাম নামের একজন ব্যক্তি।
এ ঘটনার পর শিশু রামিসার বাপ আবদুল হান্নান মোল্লা আপনার মেয়ে এই জায়গায় থাকলে কি করতেন প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আপনাদের বিচার করার কোনো রেকর্ড নেই। ১৫ দিন পর এই ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যাবে।”
“একটা শিশু নিরাপদে বাঁচবে, এটাই তো স্বাভাবিক অধিকার। কিন্তু আজ শিশুরাও নিরাপদ নয়। শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির কঠোর প্রয়োগ হোক,” লেখেন নুর
