ঢাকায় কারিনা কায়সারের শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে
ঢ ক য় ক র ন ক – ঢ ক য় ক র ন ক – রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার স্থানে সোমবার রাত ১০টার দিকে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করে উপস্থিত নেতারা জুলাইকে স্মরণ করে বিভিন্ন স্লোগান বার্তা দেন। অনুষ্ঠিত হওয়া অনুষ্ঠানটি জনসাধারণের মনোনিবেশ আকর্ষণ করেছে এবং তার চারপাশে গুরুতর সমস্যার মুখে এল লিভার সমস্যা।
শেষ জানাজা ও নেতাদের উপস্থিতি
ঢ ক য় ক র ন কে সম্মানে আসরে উপস্থিত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। উপস্থিত হন এ বি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু এবং আরও অনেক রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। এ অনুষ্ঠানটি জনসাধারণের প্রতি সমাদর নিয়ে করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের পূর্বে কারিনার মৃতদেহ রোববার বিকেল ৫টার দিকে চেন্নাই থেকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল। তার প্রথম জানাজা বনানী ডিওএইচএস মাঠে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে পরিষেপ হয়, পরে রাত ৮টায় বনানী দরবার শরীফ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ শব্দ পৌঁছেছি।
তার মৃত্যুর পরিস্থিতি
কারিনাকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পরিবার থেকে জানা গেছে। তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
বিশেষ চিকিৎসার জন্য সোমবার রাতে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে প্রেরণ করা হয়। যেখানে খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা তার লিভার প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা বড় ধরনের অস্ত্রোপচার সহ্য করতে পারেনি। ফুসফুসে তরল ও কফ জমে থাকায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটে এবং শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
ঢ ক য় ক র ন কে লিভার সমস্যার কারণে সম্পূর্ণ ভারতের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কাছাকাছি পরিষেবা পাওয়ার জন্য চিকিৎসার প্রক্রিয়া শুরু হয়। চেন্নাইয়ের পরিষেবা অপেক্ষা করে নেতাদের আবেদন করা হয়। তবে কারিনার মৃত্যুর পর ঢাকায় তার শেষ জা�
