দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
মৌসুমি বায়ু আগামী দিনগুলোতে বিস্তার লাভ করবে
দ শ র ব ভ ন ন – দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা বাড়ছে এবং সম্ভাবনামূলক ক্ষতির আশঙ্কা তুলে ধরা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগে পৌঁছে গেছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেশের বাকি এলাকাগুলোতেও এই বায়ু বিস্তার লাভ করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর অবিলম্বে এগিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের সতর্ক করেছে যাতে তারা পূর্বাভাসে উল্লেখ করা ঝড়ের সম্ভাবনার কারণে সময় সময় বিপর্যয়ের আশঙ্কা মোকাবেলা করতে পারেন।
নদীবন্দরে সতর্কতা বৃদ্ধি পেয়েছে
বুধবার (১০ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া বার্তায় ঘোষণা করা হয়েছে যে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোতে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের সতর্ক করেছে যে ঝড়ের কারণে নদীবন্দরগুলোতে তীব্র জল জমা হতে পারে এবং নৌ পরিবহন ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
বাতাসে গরম পাতায় ঝড় এলে অনেক ক্ষেত্রে তুরপুর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশের ১২টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নদীবন্দরগুলোকে পুনঃসতর্ক সংকেত দেখাতে হবে বলে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া পরিবর্তন ক্ষমতা ক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জনজীবনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা মোকাবেলার জন্য নিয়মিত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হয়েছে।
বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রা কমতে পারে
বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। ফলে চলমান গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্ষার আবহাওয়া এবং ঝড়ো হাওয়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে নদীবন্দর এলাকাগুলোতে অস্থায়ী জল জমা হতে পারে এবং তা আরও দমকা বা ঝড়ের সময় গুরুতর হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্ত
