পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে কোরবানির পশু আমদানির প্রয়োজন নেই
প র শ ববর ত দ শ – বাংলাদেশের কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান যে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে কখনো ফ্যাসিবাদী চরিত্র ধারণ করেনি। তিনি আরও বলেন যে বর্তমান সরকার জনগণের আস্থা ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কোরবানির পশু আমদানির প্রয়োজন নেই বলে তিনি জানিয়েছেন, কারণ দেশে প্রয়োজনীয় পরিমাণে গবাদি পশু মজুত রয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু সরবরাহে কোনো সংকট হবে না। এই ঘোষণার পর তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের সরকার বাজার পরিস্থিতি স্থিব রাখার জন্য সক্রিয় কাজ করছে।
পশু সংক্রান্ত সংখ্যা ও সরকারি কার্যক্রম
তিনি বলেন যে বর্তমানে দেশে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজার গবাদি পশু মজুত রয়েছে, যা এবারের ঈদে কোরবানির পশু চাহিদার প্রায় দ্বিগুণ মাত্রার চেয়ে বেশি। কোরবানির পশু আমদানির প্রয়োজন হবে না বলে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, কারণ দেশের স্থানীয় কৃষি খাদ্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে আমদানি প্রয়োজন হবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে সীমান্ত এলাকা ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি সঠিকভাবে পরিচালিত হয়েছে, যাতে কোরবানির পশু বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে আমদানি করতে পারে না। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদ আসার আগে বাজারে পশু সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সামগ্রিক পরিকল্পনা ও জনগণের প্রতি অবহেলা নেই
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন যে কোরবানির পশু সরবরাহ করা একটি সামাজিক প্রয়োজন যা সরকার কাজে লাগাচ্ছে। তিনি এখনও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পশু আমদানির কোনো সম্ভাবনা করেন নি। বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ধরে রাখার জন্য সরকার কৃষি খাদ্য বিপণনে সম্পূর্ণ পরিচালনা করছে। এই বিষয়ে তিনি জানান যে কোরবানির পশু সরবরাহ করা স্থানীয় কৃষি কার্যক্রমের সমর্থন করে এবং সামগ্রিক অর্থনীতি বৃদ্ধি করে। তিনি আরও জানান যে কোরবানির পশু আমদানি প্রয়োজন হবে না বলে জনগণ এখনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করছেন।
তিনি বলেন, কোরবানির পশু সরবরাহ করতে হবে বাংলাদেশের ভিতরে এবং সরকার এ কাজে সম্পূর্ণ অগ্রগতি পাচ্ছে। সীমান্ত প্রতি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে কোরবানির পশু আমদানি নিয়ন্ত্রণের জন্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এই কার্যক্রমের ফলে স্থানীয় কৃষি খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং প্রতিমন্ত্রী তা প্রকাশ করেন। কোরবানির পশু আমদানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে যাতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায়। এই �
