পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, অথচ জামায়াতের এমপি জন্মেছেন ১৯৮১ সালে
প ত ম ক ত য দ – পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন এবং তার বাচ্চা হিসেবে জামায়াতের একজন রাজনৈতিক নেতা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম নীলফামারী-৪ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই কথাটি তার কাছে আপত্তির জন্ম দিয়েছে। তিনি জাতীয় সংসদে আলোচনার সময় নিজের পরিবারের শহীদ বীর সম্পর্কে উল্লেখ করেন যা তার রাজনৈতিক অবদান নির্ধারণে বিতর্ক তৈরি করেছে। তদন্তে আবিষ্কৃত হয়েছে যে তার জন্ম তারিখ অস্পষ্ট ছিল।
নির্বাচনী হলফনামা নিয়ে তর্ক
হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম নিজের নির্বাচনী হলফনামায় জন্ম তারিখ বলেছেন ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। এই তারিখ অনুসারে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন প্রায় ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন বয়সে ছিলেন। কিন্তু তিনি নিজে স্বীকার করেছেন যে পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন, এবং তার বাবা এবং দাদা সামরিক যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। সেই কথাটি তার পরিবারের ইতিহাসে অনেক মূল্যবান সম্পর্কে বোঝা যায়।
পরিবারের ইতিহাস
তার বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন, এবং তার দাদা এবং আব্বারা মুক্তিযুদ্ধে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমার দাদা পাঁচ জন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, কিন্তু আমার আব্বারা চাচা এক জন ছিলেন। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠনের প্রধান ছিলেন।” এটি তার পরিবারের বীরত্বের প্রতি অবদান প্রকাশ করে যে পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন।
তিনি মনে করেন যে তার পরিবারে মোট চোত্রিশ জন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এই সংখ্যা তার কর্মপ্রণালী এবং রাজনৈতিক অবদানকে অনেকটা বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু তার জন্ম তারিখ নিয়ে বিতর্ক আবারও আগের চেয়ে প্রাধান্য পেয়েছে। তার বয়সের অধিকার নিয়ে একটি গুরুতর বিতর্ক তৈরি হয়েছে যা পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন সেই ঘটনা থেকে আলোকিত হয়েছে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তার বাবা শহীদ হয়েছিলেন, তবে তার জন্ম তারিখ নিয়ে এখনও প্রশ্ন উঠেছে। এটি নির্বাচনের সময় তার পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন বিষয়টি স্পষ্ট করে দেয় নি। তার বাবা এবং দাদার কর্মসাধনা ছিল মুক্তিযুদ্ধের অবদান হিসেবে যেহেতু তারা কৌশলগত যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। সেই কারণে পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন এবং তার কাছে কেন্দ্রীয় অবদান ছিল।
“আমার বাবা ও দাদা সামরিক যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। আমার আব্বারা এক ভাই এবং চাচা এক ভাই ছিলেন, কিন্তু আমার দাদারা পাঁচ জন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আমার চাচারা এক জন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আমার পর
