ওমান পুলিশ প্রবাসী চার বাংলাদেশি ভাইয়ের মৃত্যুর তদন্ত শুরু
প রব স ৪ ব ল দ – রয়্যাল ওমান পুলিশ চার বাংলাদেশি ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছেন। ঘটনাটি বারকা এলাকায় ঘটেছিল, যেখানে চার ভাই মুলাদ্দাহ দিব্যে রওনা হন। রাত ৮টার পর তাঁদের একজন আত্মীয়কে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে অসুস্থতার কথা জানান। কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস কারণে শ্বাস গ্রহণ করতে তাদের কষ্ট হচ্ছিল।
বাংলাদেশি পরিবার বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে নিহত চার ভাই কোনও গাড়ি দুর্ঘটনার সাথে যুক্ত ছিলেন না। পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী তাঁদের মৃত্যু এসি এগজস্ট থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে ঘটেছিল। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়িতে অচেতন অবস্থায় চার ভাইকে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
স্বজনদের নিশ্চিত করেছে যে নিহত চার ভাইয়ের লাশ আগামী মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশে পৌঁছাবে। তাঁদের ব্যবহার করা হয়েছিল একই ফ্লাইট। বাংলাদেশ দূতাবাস ও চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের নেতাদের সহযোগিতা ছিল। মায়ের সঙ্গে রাঙ্গুনিয়াতে অবস্থিত মোহাম্মদ এনাম (৩২) বাকি পরিবারের সবার বিরুদ্ধে খবর লুকিয়ে রেখেছেন।
খাদিজা বেগম তাঁদের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। তিনি জানেন যে তার ছেলেদের অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছে। কিন্তু সংবাদটি শুনার পর থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
অন্যান্য ব্যক্তিদের সাথে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বিএনপি সংসদ সদস্য মো. নাজমুল হাসান এবং স্থানীয় নেতাদের সাথে মৃত চার ভাইয়ের পরিবারের সম্মুখীন হন। তিনি ঘটনার ব্যয়ভার ওমান সরকার দেবে না বলে জানিয়েছেন।
প্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা
তদন্ত প্রক্রিয়া অনুসারে ওমান পুলিশ আবদ্ধ অবস্থায় যানবাহনে না ঘুমানোর প্রতি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছেন। বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরোধের ঝুঁকি বিবেচনায় সর্বসাধারণের জন্য এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ছেলেদের মৃত্যুসংবাদ সহ্য করতে পারবেন না বলে তাকে এই সংবাদ জানানো হয়নি।
নিহত চার ভাইয়ের বয়স সবগুলো ২৫ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত। এ ঘটনার পর তাঁদের লাশ দাফনের জন্য কবরস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ছেলেদের মৃত্যু ঘটার পর তাঁদের পাশাপাশি দাফন করা হবে।
এনাম মায়ের সঙ্গে রাঙ্গুনিয়াতে থাকতেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মসজিদে নামাজ আদায় করে স্থানীয় নেতাদের সাথে তাঁর কথা বলেন।
