রামিসা হত্যা মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে যা বললেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক
র ম স হত য ম মল – ঢাকা মহানগর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রামিসা আক্তারের হত্যা মামলার রায় পর্যবেক্ষণে বিচারক মাসরুর সালেকীন কেন্দ্রীয় কথা বলেন যে শিশুদের রক্ষা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। বিচারক জানান যে শিশু রামিসা যৌন নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় যে কোনো সমাজ গভীরভাবে আহত হয় এবং রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রশ্নাজনক হয়।
শিশু রামিসা হত্যা মামলাটি কেবল একটি ফৌজদারি বিচার নয়, বরং আমাদের সমাজের বিবেক, মানবতা, আইনবিধি এবং ন্যায়বিচারের প্রতি গভীর পরীক্ষা। মামলার প্রতিটি পৃষ্ঠা বেদনা, ক্ষোভ, আশঙ্কা এবং ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার সমন্বয়ে গঠিত।
আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে রায়ে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া সোহেলকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদন্ডের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদি টাকা দিতে না পারে তাহলে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করার আদেশও দেয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তুলনামূলকভাবে দ্রুত তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।
বিচারক লক্ষ্য করেছেন যে তদন্তকারী সংস্থা এবং প্রসিকিউশন দ্রুত সাক্ষী সংগ্রহ করেছে, যেন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়। রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয় যে এ মামলাটি ভবিষ্যতে শিশু নির্যাতন ও সহিংসতা সংক্রান্ত অন্যান্য মামলার জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে গণ্য হবে।
ট্রাইব্যুনালের বিচারকের আন্তরিকতা ও দায়িত্ব
বিচারপ্রার্থী জনগণ, বিশেষত ভুক্তভোগী শিশু এবং তাদের পরিবার যেন অযথা অনিশ্চয়তায় থাকে না সে লক্ষ্যে সকল কর্তৃপক্ষের একটি নিষ্ঠা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করা হয়েছে। ন্যায়বিচার আইন, প্রমাণ ও ন্যায়বিচারের চিরন্তন নীতি অনুসরণ করে নিশ্চিত করেছে।
এই রায় যখন বাস্তবে কার্যকর হবে তখন আমি শতভাগ সন্তুষ্ট হবো। প্রধানমন্ত্রীসহ এ মামলার পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাই। রামিসা হত্যা মামলার প্রতিটি ঘটনার বিচার হোক আর এই ধরনের নৃশংসতা আর হয় না।
ট্রাইব্যুনাল বিচারক অনুমোদন করেছেন যে আইনগত কাঠামো বাইপাস করা যাবে না। সামাজিক বিবেক ও মানবিক দায়িত্বের স্পর্শে বর্তমান রাষ্ট্�
