শিশু খাদ্যে নজরদারি জরুরি কেন?
খাদ্য আভ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন
শ শ খ দ য নজরদ – বাংলাদেশে শিশুদের খাদ্যের পছন্দ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। অনেক সময় শিশুর খাবার বলতে তৈরি হতো মায়ের হাতে বোঝানো ভাত, ডাল, শাকসবজি বা ঘরে পুষ্টিকর খাবারের মতো প্রাকৃতিক খাদ্য নিয়ে আলোচনা হতো। এখন সেই অবস্থা বদলে যাচ্ছে রং পরিপূর্ণ স্ন্যাকস, অতিরিক্ত চিনি ও লবণসমৃদ্ধ ফাস্টফুড, কৃত্রিম ফ্লেভারযুক্ত খাবার এবং বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রভাবে।
স্বাস্থ্য জনহিসাবে খাদ্য কেন পরিচালনা করা আবশ্যক?
শিশু বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় পুষ্টিহীনতা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে ব্যাহত করতে পারে। বিভিন্ন খাদ্যের সংগ্রামে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাট, ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদানের ফলে স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অনেক অভিভাবক কোন খাবার নিরাপদ এবং কোনটি ক্ষতিকর বুঝতে পারেন না। খাবারের গায়ে সুষম খাদ্যের বিজ্ঞাপন দেখানো হলেও বাস্তবে তার পুষ্টিমান প্রশ্নবিদ্ধ।
স্কুল আশেপাশে কার্যকর নজরদারি নেই
অধিকাংশ স্কুলের সামনে বিক্রি হওয়া খাবারগুলো মান ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে কমই তদন্ন করা হয়। খোলা খাবার, অতিরিক্ত রং মেশানো আইসক্রিম বা নিম্নমানের পানীয় শিশুদের প্রতি কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এসব খাবারের স্বাদে প্রভাবিত হয়ে শিশুদের সুষম খাবারের আগ্রহ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। রাষ্ট্র যদি স্কুলভিত্তিক খাদ্যনীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন না করে, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য ঝুঁকি আরও বাড়বে।
গ্রামীণ খাদ্য বাজারের সমস্যা
গ্রামাঞ্চলে নকল ও ভেজাল খাদ্যের বিস্তার শিশু খাদ্যের আরেকটি ধরনের সমস্যা। নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়ক হুবহু নকল করে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল চকলেট, চিপস, আইসক্রিম ও শিশুখাদ্য। অসাধু ব্যবসায়ীরা কাপড়ের রং বা শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত কেমিক্যাল ব্যবহার করছে সবচেয়ে ভয়াবহ উপাদান হিসেবে। শিশুদের এসব খাবার আনন্দের সঙ্গে খাওয়া হয়, কিন্তু ধীরে ধীরে সেগুলো তাদের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করছে।
প্রচারের সম্ভাবনা নিরাপদ খাদ্যের দিক বিপর্যয়
টেলিভিশন, ইউটিউব বা মোবাইল গেমের মাধ্যমে প্�
