Uncategorized

‘সত্যিই, সিনেমা বানানোর চেয়ে মুক্তি দেয়া বেশি কঠিন’

সত্যিই, সিনেমা বানানোর চেয়ে মুক্তি দেয়া বেশি কঠিন সত য ই স ন ম ব - কোরবানির ঈদে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু হল সংকটের কারণে শেষ পর্যন্ত সেটি

Desk Uncategorized
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সত্যিই, সিনেমা বানানোর চেয়ে মুক্তি দেয়া বেশি কঠিন

সত য ই স ন ম ব – কোরবানির ঈদে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু হল সংকটের কারণে শেষ পর্যন্ত সেটি পিছিয়ে যায়। নির্মাতা আকাশ জানান, সিনেমাটি নিয়ে তাদের কোনো বড় প্রত্যাশা ছিল না। শুধুমাত্র একটি গল্প বলার তাগিদ থেকেই কাজটি শুরু হয়েছিল।

ঐতিহাসিক মুক্তি ও প্রতিক্রিয়া

শুটিং শেষ হওয়ার পর সম্পাদনার টেবিলে বসার পর নির্মাতার মনে হয়েছিল কিছু একটা হতে যাচ্ছে। সেই সময় ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছিল। কাজ পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া সত্ত্বেও সাহস করে রাফ কাট পাঠানো হয়। কর্তৃপক্ষ ইতিবাচক সাড়া দেয় এবং দ্রুত সম্পূর্ণ সংস্করণ পাঠানোর আহ্বান জানায়।

“তখনও ফাইনাল কাট করা হয়নি। রাফ কাটই পাঠিয়েছিলাম। তারা জানালেন সিনেমাটি তাদের ভালো লেগেছে এবং দ্রুত একটি সম্পূর্ণ সংস্করণ পাঠাতে বললেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে সাউন্ড ও কালারের কাজ ছাড়াই কোনোভাবে একটা ফাইনাল কাট দাঁড় করিয়ে পাঠাতে হয়েছিল।”

ঐতিহাসিক প্রশংসা ও পুরস্কার দেখে নির্মাতা দল নতুন আত্মবিশ্বাস পায়। আকাশ বলেন, “মানুষ সিনেমাটা দেখলো, প্রশংসা করলো, আমরা পুরস্কারও পেলাম। তখন মনে হলো, সিনেমাটা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত।”

টেকনিক্যাল উন্নয়নের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া

ফেস্টিভাল পর্ব শেষ হওয়ার পর সিনেমাটির টেকনিক্যাল বিষয়গুলো উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। কালার গ্রেডিংয়ের দায়িত্ব চিন্ময়ের ওপর দেওয়া হয়, সাউন্ড ডিজাইনে কাজ করেন শৈব তালুকদার। তিনি বলেন, “উনারা সাধারণত বাইরের প্রজেক্টে খুব একটা কাজ করেন না। কিন্তু সিনেমাটা দেখে নিজেরাই কাজটি করতে আগ্রহী হন।”

সিনেমাটি নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ার পর মুক্তির চিন্তা আসে। যদিও প্রথম পরিকল্পনা ছিল কোরবানির ঈদে মুক্তি দেওয়া, কিন্তু বড়পর্দায় বেশি সিনেমা মুক্তির সারিতে চলে আসায় হল বরাদ্দ কঠিন হয়।

নির্মাণ ও মুক্তি প্রক্রিয়ার পার্থক্য

তিনি আরো বলেন, “সিনেমা বুঝতে পারার পর দশ বছর শুধু টেকনিক্যাল বিষয়গুলো শেখার পেছনে দিয়েছি। এই সিনেমাটি বানাতে গিয়ে আমাকে কারও ওপর নির্ভর করতে হয়নি। কিন্তু মুক্তি দিতে এসে বুঝলাম, এটা সম্পূর্ণ অন্য একটা জগৎ।”

বিশেষ একটি চরিত্রে সাহিত্যিক ও কবি আক্তারুজ্জামান আজাদের দেখা যাবে। সিনেমাটি অভিনয় করেছেন ববি বিশ্বাস, দেবদ্যুতি আইচ, রকি খান, চয়ন মণ্ডল, আবু সায়ী

Leave a Comment