স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ, এখন পুনর্গঠনের বাংলাদেশ: তারেক রহমান
স ব র চ র র অধ – বাংলাদেশের স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হয়েছে এবং এখন দেশ পুনর্গঠনের প্রারম্ভিক পর্বে প্রবেশ করেছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন। তিনি কুমিল্লায় আয়োজিত পথসভায় এ ঘোষণা করেন যার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নতুন সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন যে, স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হয়ে গেলে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জনগণের সম্মান রক্ষা করা এখন প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ধরা হয়েছে। স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হওয়ার পর প্রতিটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া আরও প্রবল হবে এবং দেশের মানুষ এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করবে।
পুনর্গঠনের প্রারম্ভ এবং সম্প্রদায়গুলির ভূমিকা
স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের সমাজে নতুন আশার জন্ম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে, দেশের পুনর্গঠন সফল হবে যদি সম্প্রদায়গুলি সমন্বয় করে এগিয়ে যায়। বিএনপি স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ করার পর এখন দেশের বিভিন্ন বিষয়ে সত্ত্বা হিসেবে আবরণ করছে বলে স্থির করেছেন। তিনি জানান যে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়া পর সরকার জনগণের সম্মান রক্ষার জন্য প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। বর্তমান সরকার জনগণের প্রতি সত্যিকারো দৃষ্টি দিচ্ছে এবং স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হওয়ার পর প্রতিটি মানুষের ক্ষমতা ও স্বাধীনতা আবার আসছে।
বিএনপি স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ করেছে বলে স্থির করেছে এবং তাদের জনগণের সম্মান রক্ষা করতে চায় বলে স্পষ্ট করেছে। স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হওয়ার পর সরকার প্রতিটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করবে এবং দেশের আর্থিক স্থিতিশিলতা ও সামাজিক সম্মান গুরুত্বপূর্ণ হবে।
প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রক্রিয়া
স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হয়ে গেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরো বলেন যে, দেশের পুনর্গঠন সম্পর্কে তাঁর সমস্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে। তিনি জানান যে, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং শহরের বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং এগুলি দেশের মানুষের প্রতি সম্মান প্রতিষ্ঠা করবে। এই প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হওয়া বাংলাদেশ এখন সামাজিক স্থিতিশিলতা ও আর্থিক উন্নতির প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ নতুন জন্ম নিচ্ছে।
তারেক রহমান প্রকাশ করেছেন যে, দেশের সমস্ত ক্ষেত্রে সমান সুবিধা দেওয়া হবে এবং স্বৈরাচারের অধ্যায় শেষ হওয়া পর জনগণের স্বাধীনতা ও মানুষের ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প চালু করা হবে। এই প
