একীভূত ব্যাংকে বন্ধকি সম্পদের অতিমূল্যায়ন: গ্যারান্টি কেবল ২৩ শতাংশ
এক ভ ত ব য ক বন জামানতকারীদের আমানত ফেরত দেওয়ার জন্য আমানত বীমা ট্রাস্ট সম্পদ ব্যবহার করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভেয়ার প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো ঋণ অনুমোদনে বন্ধকি সম্পদের মূল্য অতিমূল্যায়নের পরিচয় দেখেছে। তদন্ত অনুযায়ী, সম্পত্তি ঋণের পরিমাণ বর্তমান বাজারমূল্যে কেবল ২৩ শতাংশ বাস্তব মূল্য কভার করছে। মোট ঋণের প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা সম্পদের সম্ভাব্য মূল্য হিসেবে ধরা হয়েছে, যা বিক্রি প্রক্রিয়ায় মূল্য ধরেছে ৩১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
মূল্য বাড়ানো ক্ষমতা ও প্রভাব
ব্যাংকিং খাতের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ১০০ টাকা বন্ধকি সম্পদের বিপরীতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদনের সীমা রয়েছে। কিন্তু তদন্তে দেখা গেছে যে বন্ধকি সম্পদের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। বিশেষ করে কিছু ঋণের বিপরীতে সম্পত্তির বাস্তব অস্তিত্ব নেই বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফলস্বরূপ গ্যারান্টি মাত্র সম্পদের ২৩ শতাংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ব্যাংকগুলো মূল্য বাড়ানো ক্ষমতা ব্যবহার করে সম্পদের ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করেছে। যদিও বাজারমূল্য অনুযায়ী সম্পদের মূল্য প্রায় ১৬ শতাংশ হিসেবে ধরা হয়েছে, তবুও কিছু পরিস্থিতি পরিবর্তন হচ্ছে না। সম্পত্তি ঋণের বিপরীতে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা আমানত বীমা ট্রাস্ট ব্যবহার করছে। অবশিষ্ট টাকা ফেরত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আমানতকারীদের ক্ষতি ও প্রতিক্রিয়া
বিশেষজ্ঞদের মতে, এক ভ ত ব য ক বন যুক্ত সম্পদের অতিমূল্যায়ন আমানতকারীদের ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে পর্যন্ত সম্পত্তির বাস্তবতা কিছু ব্যাংকে দেখা যাচ্ছে না। এই সমস্যার কারণে সম্পত্তি ঋণের পরিমাণ আমানত প্রক্রিয়ায় প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুর্দশা আমানতকারীদের সামনে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে।
সম্পত্তি ঋণের বিপরীতে গ্যারান্টি সম্পদের মাত্রা কেবল ২৩ শতাংশ হিসেবে পরিমাণ করছে। এমনকি কিছু ঋণে সম্পদের বাস্তব মূল্য অস্তিত্বহীন হয়ে গেছে। ব্যাংকগুলো অতিমূল্যায়নের পরিণতি পর্যন্ত সম্পত্তি ঋণের বিপরীতে বন্ধকি সম্পদের ঘাটতি সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য বাজার বাস্তবতা ও সম্পদ মূল্য বৃদ্ধির প্রক্রিয়া সম্পত্তি বিপর্যয় ঘটাতে পারে।
এই সমস্যার কারণে এক ভ ত ব য ক বন চালু করা হয়েছে। এখন আমানত বীমা ট্রাস্ট প্রায় ৮ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বাকি টাকার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিশেষজ্ঞদে
