এজলাসে দুই আইনজীবীর হাতাহাতি
পাথরঘাটা আদালতে ঘটে বিতর্ক ও দুর্ঘটনা
এজল স দ ই আইনজ ব র – বরগুনার পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার সকাল ১১টার দিকে দুই আইনজীবীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর উভয় আইনজীবীর সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করে বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতি।
আদালতের কর্মকর্তারা ঘটনার পর জরুরি সভা করেন এবং সদস্যরা ভিডিও ফুটেজ দেখে সিদ্ধান্ত নেন। সমিতির সদস্যদের মতামত অনুযায়ী, এ ধরনের আচরণ আইনজীবীদের পেশাগত নীতি ও সমিতির গঠনতন্ত্রের বিরোধী। আদালতের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন হস্তক্ষেপের ফলে।
ঘটনার বিবরণ
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেন, আদালতের কার্যক্রম শুরুর আগে দুই আইনজীবী চেম্বার থেকে আদালতে রওনা হন। ঘটনায় জড়িত আইনজীবীদের নাম হলো অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মঞ্জু ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা লাকি। লাকি বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এবং পাথরঘাটা বারের অ্যাডহক কমিটির ইনচার্জ।
অ্যাডভোকেট লাকি অভিযোগ করেন, তার মুহুরি মিরাজ আহমেদ কে দীর্ঘদিন ধরে মঞ্জু আইনজীবী নিজের সঙ্গে নিয়ে চেষ্টা করছিলেন। নিষেধ করার পরও এ বিষয়ে তিনি উপেক্ষা করেছেন। রোববার সকালে মিরাজকে গাড়িতে আদালতে আনার বিষয়ে জানতে চাইলে মঞ্জু ক্ষিপ্ত হন এবং তাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন লাকি।
আদালতের কর্মকর্তারা ঘটনার পর জরুরি সভা করেন এবং সদস্যরা ভিডিও ফুটেজ দেখে সিদ্ধান্ত নেন। সমিতির সদস্যদের মতামত অনুযায়ী, এ ধরনের আচরণ আইনজীবীদের পেশাগত নীতি ও সমিতির গঠনতন্ত্রের বিরোধী। আদালতের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন হস্তক্ষেপের ফলে।
অ্যাডভোকেট মঞ্জু দাবি করেন, সহমর্মিতার জায়গা থেকে তিনি মিরাজকে গাড়িতে আদালতে এনেছিলেন। কিন্তু লাকি তার দিকে জুতা নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে ফেলেন। পরে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উভয় আইনজীবী পেশাগত দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব মনোয়ারা আক্তার।
