মেডিকেল কলেজে ভর্তি ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী
ম ড ক ল কল জ ভর – পূর্ববর্তী সরকারগুলো দেশের অর্থনীতি ঋণাত্মক অবস্থায় ছেড়ে দিয়ে চলে গেছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সেই ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আরও দুই বছর সময় লাগবে। তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় অর্থনীতি এখনও ভালো অবস্থায় নেই।
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। এর মাধ্যমে দরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পাবে। বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মেডিকেল কলেজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, কোনও খাতে হস্তক্ষেপ করা হবে না কারণ সরকারি হস্তক্ষেপ করলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পেশাদারিত্ব নষ্ট হয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, পতিত সরকার আমলে স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দ বেশির ভাগই লুটপাট হয়েছে। বর্তমান সরকার শুধু বরাদ্দ দিয়েই দায় সারবে না। এই বরাদ্দ যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটাও মনিটরিং করবে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন। তিনি এ কথা বলেন, বিদেশি ঋণের কিস্তি দিতে বিদ্যুৎ খাত সহ আগামী অর্থ বছরে আরও ৫০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছে। এ সংকটে জ্বালানি খাতে আগামী অর্থ বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
মেডিকেল শিক্ষার মান রক্ষার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, পর্যাপ্ত ফ্যাকাল্টি ও অবকাঠামো নিশ্চিত না করে আসনসংখ্যা বাড়ানো হবে না বলে মন্ত্রী আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া মৌলিক অধিকার। কিন্তু দীর্ঘদিন মানুষ এ অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকার ‘ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার’ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে কাজ করছে।
সরকারি হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার কারণে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা করা হবে। রোগীরা সেখানে চিকিৎসা নিলে বিল সরকার পরিশোধ করবে। অধুনিক শ্রেণিকক্ষ, মাল্টিমিডিয়া সুবিধা, ডিজিটাল লাইব্রেরি ও খেলাধুলা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়া মন্ত্রী বলেন, �
