শনিবার চ্যানেল আইয়ে বিশ্বনন্দিত সেই ‘সাবা’
শন ব র চ য ন ল – প্রায় পঁচিশ বছর আগে ঢাকায় একটি ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন নির্মাতা মাকসুদ হোসেনের স্ত্রী ত্রিলোরা খান ও তার মা। এ ঘটনার পর থেকে ত্রিলোরার মা হুইলচেয়ারে বসে জীবন অতিবাহিত করছিলেন, যার জন্য ত্রিলোরা এবং তার বাবা প্রতিদিনের যত্নের জন্য নির্ভর করছিলেন। সেই দুর্ঘটনার পর থেকে তিনি একটি চিন্তার জন্ম দিয়েছিলেন— কোনো সাহায্য ছাড়া কোনো টাকা ছাড়া এবং পরিবারের সমর্থন ছাড়া মাকে বাঁচানোর জন্য এক তরুণী কীভাবে লড়ছে তার গল্প বলা যাক। এই ধারণা থেকে তৈরি হয়েছে নির্মাতার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘সাবা’। সিনেমাটি এখন পর্দায় আসতে চলেছে, যা শন ব র চ য ন ল অনুসারে নির্মাণ করা হয়েছিল।
বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্রের যাত্রা
‘সাবা’ সিনেমাটি বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে এবং এর আগে অনেক আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। যেমন টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এটি বিশ্ব প্রিমিয়ার হয়েছিল। পরবর্তীতে গথেনবার্গ, সিডনি, রেইনডান্সসহ আরও কিছু উৎসবে এটি চলেছিল। চ্যানেল আইয়ে ঈদ উল আজহার সময় ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ারের জন্য সিনেমাটি ঈদের তৃতীয় দিন শনিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে দর্শকদের জন্য উপস্থিত হবে। এ প্রিমিয়ারে সাবা সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সাধারণত কেন্দ্রীয় মূল্যবোধ করা হবে এবং শন ব র চ য ন ল কীভাবে চলচ্চিত্রের উদ্যোগ হিসেবে সেই সাহায্য স্থাপন করেছিল তা আলোচনা করা হবে।
“মাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কোনো সাহায্য, টাকা বা পরিবার ছাড়া কীভাবে এক তরুণী লড়ছে সেটি গল্প করতে চাইছিলাম।” এই ভাবে নির্মাতা মাকসুদ হোসেন কথা বলেন। সাবার গল্প নির্মাতা তার স্ত্রী ত্রিলোরা খানের জীবনের একটি স্মৃতি হিসেবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। এ কারণে সিনেমাটি শন ব র চ য ন ল একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসেবে প্রথম দর্শকদের কাছে পৌঁছেছে।
মূল চরিত্রগুলি এবং অভিনয়ের মাধ্মায় চলচ্চিত্রের মূল অংশ
সিনেমাটির চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন মাকসুদ হোসেন ও তার স্ত্রী ত্রিলোরা খান। সেবায় নিয়োজিত মধ্যবিত্ত পরিবারের এক অসুস্থ মার সেবায় নিয়োজিত তরুণীর গল্প ছাড়া সিনেমাটি অন্য কিছু নয়। ছবিতে মেহজাবীন চৌধুরী সাবার চরিত্রে, রোকেয়া প্রাচী মাকের চরিত্রে এবং মোস্তফা মনোয়ার অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সাবার ছায়াচিত্রে শন ব র চ য ন ল এর মূল কাহিনী প্রতিটি দর্শক কাছে পৌঁছেছে যারা এটি নির্ভর করে তাদের কর্মসূচি সম্পর্কে। সিনেমাটি প্রতিটি মুহূর্তে পরিবারের আঁকা ভাবনা কেন্দ্রীয় মূল্যবোধ হিসে
