মতপার্থক্য থাকলেও মার্কিন শান্তি প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইরান
মতপ র থক য থ কল ও – ইরান আমেরিকার প্রস্তাব মেনে চলা সম্পর্কে বিবেচনা করছে যদিও দুই পক্ষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য বাকি আছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসীম মুনির ইরানে আসার পর সেখানে বৈঠক করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তাদের বৈঠকে চলমান উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের সময় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, আসিম মুনিরের সফর আলোচনায় কোনো পরিবর্তন বা চূড়ান্ত সমাধান ঘটায় নি।
“পক্ষদ্বয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য বাকি আছে তবে ইরান মার্কিন প্রস্তাব বিবেচনা করছে।”
সাথে সাথে আল জাজিরা প্রতিবেদনে খবর দেওয়া হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবি নিয়ে ইরান চিন্তা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন তাদের নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যে আলোচনা ব্যর্থ হলে যুদ্ধ অবসানের চুক্তির মধ্যবর্তী সংকট চালু হতে পারে।
বৈঠকের সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান যে সর্বশেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে।
২২ মে শুক্রবার ইরানে পৌঁছে আসীম মুনির এবং আব্বাস আরাঘচি দুই নেতা আলোচনায় মতবিনিময় করেন। এই সময় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সতর্ক করে বলেন, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে সফরের মধ্যে সর্বশেষ চুক্তি কম্পিত হয়েছে।
৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির পর কয়েক দফা আলোচনা যার মধ্যে ইসলামাবাদে বৈঠকও ছিল। তবে পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান বা হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে পারেনি। ফলে তেল সরবরাহ সংকট আরও গভীর হচ্ছে।
আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় জ্বালানি সরবরাহ সংকট তীব্র হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চার দিনের সফরে চীনে গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে যে চলমান সংকট নিরসনের জন্য সে
