স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে কফিনবন্দি হয়ে গ্রামের বাড়ি ফিরছেন কামাল
স ত র ও ত ন সন – ঈদের উপলক্ষে পরিবার নিয়ে গ্রামে ফিরতে চলছিল মো. কামালের স্বপ্ন। এই স্বপ্ন সাক্ষাৎ করতে পারলে তার স্ত্রী সায়মা বেগম এবং তিনটি সন্তানের জন্য একটি স্থায়ী পরিবারের সুখের দিন আসতে পারত। কিন্তু গত রোববার ঘটে গ্যাস লাইনের লিকেজ ঘটনায় সবাই কবরে চলে গেছেন। স্ত্রী ও তিন সন্তানের সাথে এই সাধারণ মানুষের পরিবার প্রাণ হারায়। এই মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়া কবরে গ্রামে পৌঁছানো হবে শনিবার সকালে।
পরিবারের স্বপ্ন ও নির্বাক শোক
মো. কামাল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় প্রায় তিন দশক বসবাস করেন। তিনি সবজি বিক্রি করে পরিবার চালাতেন এবং স্বপ্ন করতেন বাড়ি ফিরে জীবন স্থায়ী করার। স্ত্রী ও তিন সন্তানের সাথে পরিবারের আশার পাতা ছিল ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী বাসা নির্মাণ করা। কিন্তু স্ত্রী ও তিন সন্তানের পাশে তিনি নিয়মিত করে পরিশ্রম করেন এবং কোনো সময় প্রতিবেশীদের কাছে তাদের অসুখ বা সমস্যা নিয়ে কথা বলতেন। এখন স্ত্রী ও তিন সন্তানের পাশে নিয়ে তার স্বপ্নের সুখ হারানো হয়েছে।
স্পর্শকাতর অত্যন্ত সংকট
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল বৃহস্পতিবার সকালে একটি কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া গ্রামে। কামাল এবং তার স্ত্রী সায়মা বেগম নিয়ে তিন সন্তান থাকত গ্রামে স্থায়ী করার স্বপ্নে। প্রাণ হারানো ঘটনার কারণ গ্যাস লাইনের লিকেজ ছিল, যা তাদের বাসা ঘটনায় পরিণত হয়। স্ত্রী ও তিন সন্তানের সাথে কামাল প্রতিদিন স্থানীয় সম্প্রদায়ে অংশ নিয়ে বাসা বানানোর বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করতেন। কিন্তু এই মৃত্যুর আঁচ ছিল তাদের প্রতিবেশীদের কল্পনার বাইরে।
“ঈদের সময় পরিবার নিয়ে বাড়ি আসার কথা ছিল কামালের। কিন্তু এভাবে পাঁচটি লাশ হয়ে ফিরবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।”
এই ধ্বংসের কারণে স্ত্রী ও তিন সন্তানের সাথে কামালের প্রতিবেশীদের হার্টে আঘাত হয়েছে। দুপুরে তার ছেলে মুন্না মারা যায়, এবং সোমবার কামাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শুক্রবার রাতে তার স্ত্রী সায়মা বেগম মারা যান আর তাদের লাশগুলি গ্রামে পৌঁছানো হবে শনিবার সকালে। কবরের পাশে স্ত্রী ও সন্তানদের দাফন করা হবে জানাজার পর।
বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কনকদিয়া গ্রামের পরিবারের স্বপ্ন সাক্ষাৎ করতে পারলে স্ত্রী ও তিন সন্তানের সাথে একটি পাকা ঘর নির্মাণ করার সম্ভাবনা ছিল। তিনি শান্ত ও পরিশ্রমী
